বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞাপন :
কোন পণ্য বা সেবার জন্য বিজ্ঞাপন তৈরি করতে চান? আপনি যদি বিজ্ঞাপন তৈরি করতে আগ্রহী হন সুযোগ আছে জয়েন করুন।

লোডশেডিং চার হাজার মেগাওয়াট ছাড়াল

আরমান হোসেন খান,চীফ রিপোর্টারঃ
গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিদ্যুতের চাহিদা। জ্বালানি সংকটে চাহিদা অনুসারে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারছে না বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। ফলে সরকারি তথ্যমতেই কয়েক দিন ধরে দুই হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং হচ্ছে। যদিও বিতরণ কোম্পানিগুলোর অভ্যন্তরীণ সূত্রমতে, বিদ্যুতের ঘাটতি সাড়ে তিন হাজার মেগাওয়াটের বেশি। একটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন কমে যাওয়ায় গতকাল বুধবার চলতি মৌসুমের সবচেয়ে বেশি লোডশেডিং হয়েছে।

খোদ পাওয়ার গ্রিড কোম্পানির (পিজিসিবি) মতে, গতকাল বিকেলে বিদ্যুৎ ঘাটতির পরিমাণ ছিল প্রায় আড়াই হাজার মেগাওয়াট। যদিও বেসরকারি সূত্রমতে, প্রকৃত লোডশেডিং গতকাল চার হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। গতকাল দুপুর ১২টায় পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডে (আরইবি) বিদ্যুতের ঘাটতি ছিল তিন হাজার মেগাওয়াটের ওপরে। এ সময় পিজিসিবির ওয়েবসাইটে ছয় বিতরণ কোম্পানি মিলে লোডশেডিং দেখানো হয়েছিল ২ হাজার ৪৯৫ মেগাওয়াট।

পিডিবির সদস্য (উৎপাদন) জহুরুল ইসলাম বলেন, কারিগরি ত্রুটির কারণে আদানির একটি ইউনিট থেকে উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় তেলচালিত কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে।

আদানির সূত্র জানিয়েছে, মঙ্গলবার মধ্যরাতের পর বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিটের বিয়ারিং থেকে সতর্কসংকেত পাওয়া যায়। বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে তাৎক্ষণিকভাবে ওই ইউনিটে উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়। মেরামতকাজ শেষ হতে তিন-চার দিন সময় লাগতে পারে। মঙ্গলবার রাত ১২টায় আদানি থেকে পাওয়া গিয়েছিল ১ হাজার ৪৯৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। রাত ২টায় তা নেমে আসে ৭৬৪ মেগাওয়াটে। গতকাল বুধবার রাতে এ প্রতিবেদন লেখার সময় পিজিসিবির ওয়েবসাইটে সর্বশেষ বিকেল ৪টার তথ্য দেওয়া হয়েছিল। সে সময় আদানি থেকে ৭৪৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ এসেছিল। আদানির সরবরাহ কমায় রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি ঘটে। কোথাও কোথাও লোডশেডিং ১৫-১৬ ঘণ্টায় পৌঁছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত